
শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় দেড় সপ্তাহ ধরে চলমান বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের আগুন গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্বজুড়ে মানুষ নিজ নিজ দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে হওয়া বর্ণ বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছে। শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তা ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু দিয়ে তাকে মাটিতে চেপে ধরে রাখায় শ্বাসরোধে মারা যান তিনি। এ ঘটনার ভয়াবহতা গোটা যুক্তরাষ্ট্রকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।
গোটা বিশ্বের মানুষ ফ্লয়েড হত্যার বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানান। গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি হয় জার্মানিতে। রয়টার্সের তথ্য মতে, এদিন ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং হামবুর্গে বিক্ষোভে জড়ো হন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে বিক্ষোভকারীরা ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদ জানান। অস্ট্রেলিয়ায় বিক্ষোভকারীরা ক্যানবেরার সংসদ ভবনের উদ্দেশে পদযাত্রা করেন।
অস্ট্রিয়ায় বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন। নরওয়েতেও জনসমাবেশের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করেন হাজার হাজার মানুষ।
এছাড়া, নেদারল্যান্ডস, লাইবেরিয়া, ইতালি, কানাডা এবং গ্রিসেও মানুষ শুক্রবার বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছে। এছাড়া আরো বিক্ষোভের পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে কানাডায় বর্ণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও।
গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) কানাডার সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীদের ‘নো জাস্টিস = নো পিস’ র্যালিতে হাঁটু গেড়ে বসে আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে ব্রাজিলেও।
তথ্য ও ছবি- ইন্টারনেট অবলম্বনে।

