রবিবার , এপ্রিল ৬ ২০২৫
শিরোনাম
Home / চট্টগ্রাম / জাকেরুল হক চৌধুরী’র ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাকেরুল হক চৌধুরী’র ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অভি পাল,প্রতিনিধি
মানুষ মাত্রই জন্ম ও মৃত্যুর অধীন । পৃথিবীতে জন্ম গ্রহন করলে অনিবার্যভাবেই এক দিন তাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে আর সেই মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে পৃথিবী থেকে চির বিদায় নেয় । কিন্তুু পেছনে থাকে তার মহৎ কর্মের ফসল । যে কর্মের জন্যে সে মরে যাওয়ার পরও পৃথিবীতে যুগ যুগ বেঁচৈ থাকে। আসা যাওয়ার এ পৃথিবীতে কতো মানুষ হারিয়ে যায় সময়ে র স্রোতে। কিন্তু কীর্তিমান মানুষ যখন মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করে মৃত্যু বরণ করেন, তখন তাঁরা সত্যিকার অর্থে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন চিরদিন। নশ্বর পৃথিবীতে মানুষ অবিনশ্বর হয় তাঁর আপন কর্মগুণে।।জীবদ্দশায় দেশ ও মানুষের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে মৃত্যুর পর স্মরণীয় হয়ে আছেন অনেক কীর্তিমান। তেমনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকেরুল হক চৌধুরী।

যিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।এছাড়াও
তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার গভর্ণর, বাণীগ্রাম সাধনপুর হাইস্কুলের
সাবেক সভাপতি (১৯৬৩-৭১, ১৯৭৩-৭৭),
সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক প্রেসিডেন্ট-চেয়ারম্যান (২২ বৎসর)।

১৯৯৩ সালের ১১ জুলাই
৮০ বৎসর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
মরহুম জাকেরুল হক চৌধুরী’র ২৯তম
মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়েও কারাবরণ করেন। শিকার হন চরম নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুট আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি কখনও।

যিনি মিটিং-মিছিল ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অধিকার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে সবসময় তিনি সক্রিয় ছিলেন। সময়ের সাহসী সন্তান জাকেরুল হক চৌধুরী। সেদিন রাজপথে স্বৈরাচারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

লোভ লালসা আর অহমিকার বেড়াজাল ডিঙিয়ে যিনি উদ্যোগী হয়েছিলেন আলোকিত মানুষ তৈরির কারখানা গড়তে। যার ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠা হয় সাতকানিয়া ডিগ্রী কলেজ। স্বাধীনতা উত্তরকালে এ রকম একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানোর প্রত্যয়ে যিনি দৃঢ় মনোবলে এগিয়ে এসেছিলেন সকল বাধা তুচ্ছ করে, তাই তিনি সময়ের সাহসী উদ্যোক্তাই বটে।
যিনি উপলব্ধি করেছিলেন শিক্ষাই হচ্ছে জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের নিয়ামক। তাই এলাকার মানুষকে সুশিক্ষিত করে তোলার জন্য বাশঁখালী ডিগ্রী কলেজ,সাধনপুর বালিকা উচ্চ বিদ‍্যালয়সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক প্রয়াস তাঁর ছিলো, প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা হবার পর থেকে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে রেখে যাচ্ছে তার অগ্রণী ভূমিকা এবং শিক্ষা লাভ করা ছাত্রছাত্রীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রেখে যাচ্ছেন নিরন্তর। সে উঁচু মনের মানুষ আজ সমাজে বিরল। অর্থবিত্ত ও আত্মকেন্দ্রিকতার যুগে তিনি সমাজ সেবার এক অনন্য উদাহরণ। একজন দেশপ্রেমিক, ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসাবেও তিনি সকলের কাছে সবসময় অনুকরণীয়। । এ ছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন।

এলাকার গরীব দুঃখী, অনাথ ছেলে মেয়ে, অর্থাভাবে পড়াশুনায় অক্ষমসহ নিপীড়িত মানুষের পাশে তাঁকে দেখা গেছে সবসময় একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে

এটি পড়ে দেখতে পারেন

ইমন সাংস্কৃতিক একাডেমির ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন 

  অভি পাল (প্রতিনিধ) পাহাড়তলী থানার অন্তর্গত দক্ষিণ কাট্টলীতে রতন কুমার দেবনাথ এর নেতৃত্বে ইমন …